• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪

ট্রেনে চাঁদা তুলে ৪ স্কুল চালান অধ্যাপক

ccসিসি ডেস্ক: ট্রেনের যাত্রীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে তিনি গড়ে তুলেছেন চারটি স্কুল। সেগুলো চালিয়েও নিচ্ছেন মানুষের চাঁদার টাকায়। প্রত্যন্ত গ্রামের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ইংরেজি শিক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে ২০১০ সালে তিনি এ উদ্যোগ নেন। শিক্ষার জন্য নিবেদিত এ মানুষটি হলেন ভারতের মুম্বাইয়ের সাবেক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক সন্দীপ দেশাই। এই ছয় বছরের পথচলায় অনেক বাধা-বিপত্তি তাকে সামলাতে হয়েছে।
অধ্যাপক সন্দীপ জানান, এ কাজের ভাবনা নিয়ে শুরুতেই ‘এসপি জেইন ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসার্চের’ সহকর্মীদের সঙ্গে তিনি আলোচনা করেন। কিন্তু কেউই এ ব্যাপারে তাকে সমর্থন করেননি। তাদের কাছে এটি ছিল একটি ‘বাজে চিন্তা’। শুধু একজনই তাকে সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন, তিনি হলেন অধ্যাপক নুরুল ইসলাম। মুম্বাইয়ের গোরগাঁও স্টেশনে চাঁদা তোলা থেকে স্কুল পরিচালনা-সবকিছুতে তিনিই অধ্যাপক সন্দীপের সঙ্গী। এ ক্ষেত্রে প্রায় নিয়মিতই ট্রেনে তাদের চাঁদা সংগ্রহ করতে হয়েছে। তখন সন্দীপের সঙ্গে থাকে একটি ব্যাগ এবং যার ভেতরে পল্গাস্টিকের একটি বাক্স। নিজের স্কুলের ব্যাপারে বিস্তারিত তুলে ধরে পরে তিনি যাত্রীদের কাছে সাহায্য চান। অধ্যাপক সন্দীপের কাজকে স্বাগত জানিয়ে অনেকেই সাহায্যে এগিয়ে আসেন, সাধ্যমতো অর্থ তুলে রাখেন প্লাস্টিকের বাক্সে। বেশ কয়েকটি স্টেশন পেরিয়ে ট্রেন সান্তাক্রজ স্টেশনে চলে এলেও তার কাজ থামে না।
অধ্যাপক সন্দীপ জানান, ছয় বছর আগে প্রথম দিন তাদের প্রায় সাতশ’ রুপি সংগৃহীত হয়। তিনি চাঁদা আদায়ে নিয়মিতভাবে দৈনিক প্রায় ছয় ঘণ্টা সময় দেন। স্কুলের জন্য ইট, বালি ও সিমেন্ট কেনার মতো বড় অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন পড়লে দৈনিক ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত তিনি চাঁদা তোলেন। এ স্কুলগুলোর একটি ভারতের মহারাষ্ট্রের ইভাতমাল জেলায়। সেখানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮০। বাকি তিনটি রাজস্থান রাজ্যের শাইপুর, সাদাকাদি ও নাইঝরে। এই তিন স্কুলে শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে ৩১০ ছাত্র-ছাত্রী। দেশাই ট্রাস্ট বা শ্লোকা মিশনারিজের নামে স্কুলগুলো পরিচালিত হয়। সম্প্রতি নানা ব্যক্তি ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানও তাদের সহযোগিতা দিয়েছে। তবে এটুকুতেই সন্তুষ্ট নন স্বাপি্নক এ অধ্যাপক। আরও বিস্তৃত করতে চান নিজেদের কার্যক্রম, গ্রামের বঞ্চিত শিশুদের জন্য গড়তে চান আরও স্কুল।
হাফিংটন পোস্ট


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ